আজকাল ওয়েডেস্ক:‌ লকডাউনে কাজ খুইয়েছেন ১২.‌২ কোটি মানুষ। মার্চ–এপ্রিলের হিসেব দিয়ে জানাল ‘‌সেন্টার ফর মনিটরিং দ্য ইন্ডিয়ান ইকোনমি’‌ (সিএমাইই‌)। দেশে বেকারত্বের হার এবং অর্থনীতির উপর তার প্রভাব নিয়ে তথ্য সংগ্রহ, সমীক্ষা ও গবেষণা করে মুম্বই–এর এই সংস্থা। প্রাক করোনা পর্ব থেকেই খুঁড়িয়ে হাঁটছিল দেশের অর্থনীতি। অতিমারীর ধাক্কার অর্থব্যবস্থায় কতটা প্রভাব পড়েছে, তার প্রমাণ সামনে এসেছিল মে মাসের বেকারত্বের রিপোর্টে। ওই মাসের শুরুতেই দেশে বেকারত্বের হার ছুঁয়েছিল ২৭.‌১%। সরকারি রিপোর্টই জানাচ্ছে, বেতন ছাঁটাইয়ের কারণে কিংবা কাজ হারিয়ে দেশের অন্তত ৫৬ কোটি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন লকডাউনে। পড়াশোনা ছেড়ে দিতে বাধ্য হয়েছে প্রায় ৪ কোটি পড়ুয়া। 
অনলাইন লার্নিং প্ল্যাটফর্ম ‘‌কোর্সেরা’‌ জানাচ্ছে, অনলাইনে ছোটখাটো কোর্স শেষ করে কাজে ঢুকে যেতে চাইছেন কমবয়সী ছেলেমেয়েরা। লকডাউন এবং অর্থনৈতিক মন্দার কারণে সঙ্কুচিত হয়েছে চাকরির বাজার। করোনা সঙ্কট কাটতে শুরু করলে ফের যখন কাজের ক্ষেত্র বাড়বে, তখন প্রাথমিক কাজই হবে, কলকারখানা, অফিস–কাছারিতে লোকবল বাড়িয়ে উৎপাদন ব্যবস্থাকে চাঙ্গা করা। বিভিন্ন স্কিল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম চালু করে সেই প্রক্রিয়া এখন থেকেই শুরু করতে পারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো, মনে করছে ‘‌কোর্সেরা’। ডেটা সায়েন্স এবং ডেটা ম্যানেজমেন্টের মতো বিষয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হোক। শুধু ডেটা প্রশিক্ষণের অভাবেই প্রতি ব‌ছর ৩৩,২০০ কোটি টাকা উৎপাদন ঘাটতি হয় ভারতে, জানাচ্ছে এক্সেনচার এবং ক্লিক সংস্থার রিপোর্ট।      ‌

জনপ্রিয়

Back To Top