আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ এবার তো কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। আর যাতে এমন না হয় তার জন্য ছপ্পন ভোগ উৎসর্গ করা হয়েছে ইসরো–কে। পরবর্তী চন্দ্র অভিযানের সাফল্য কামনায় মথুরার বিখ্যাত ছপ্পন ভোগ উৎসর্গ করা হয়েছে ইসরো–কে। শ্রী গিরিরাজ সেবা সমিতির কর্ণধার এবং সভাপতি মুরারি আগরওয়াল জানান, প্রায় লক্ষাধিক পুণ্যার্থীর উপস্থিতিতে এই কথা ঘোষণা করা হয়। এই অনুষ্ঠানে সপরিবারে উপস্থিত ছিলেন ইসরোর বিজ্ঞানী কে সিদ্ধার্থ। তাহলে বিজ্ঞান কী ঈশ্বর মানে?‌ উঠছে প্রশ্ন।
বিতর্ক যাই থাক প্রত্যেক বছরই মথুরায় আয়োজন করা হয় মহা অভিষেক অনুষ্ঠান। কথিত আছে, ভগবান শ্রীকৃষ্ণকে সন্তুষ্ট করার জন্য ৫৬ রকম নৈবেদ্য ভোগ দেওয়া হয়। শ্রীকৃষ্ণের জন্মস্থান মথুরা। কিন্তু এখানের ভোগ ইসরো–কে উৎসর্গ কেন?‌ এরকম আগে কখনও হয়েছে নাকি?‌ জানা গিয়েছে, আগে এমন ঘটনার নজির নেই। তবে মুরারি আগরওয়ালের দাবি, ‘এর ফলে আধ্যাত্মিকতাকে আবিষ্কারের মিশেল ঘটে বৈজ্ঞানিক জগতে।’‌ ‌
মুরারি আগরওয়াল জানান, ‘ছপ্পন ভোগ’ তৈরির জন্য ঘি–সহ ২১ হাজার কেজির উপকরণ ব্যবহার হয়। আর ভোগ রান্না করার জন্য কারিগর আনা হয়  লখনউ, আগরা, ইন্দোর, রথলাম এবং মাদুরাই থেকে। প্রথা মেনে প্রতি বছরই গোবর্ধন পর্বতকে ঘিরে রথে করে কৃষ্ণের মূর্তি নিয়ে শোভাযাত্রা বের করেন ভক্তরা। সঙ্গে থাকে ৫৬ রকমের ভোগের ডালাও।‌

জনপ্রিয়

Back To Top