আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ মহিলাদের উপর যৌন অত্যাচার দিনদিন বেড়ে চলেছে। প্রশাসন কোনওভাবেই তা আটকাতে পারছে না। এই যখন পরিস্থিতি। তখন বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন গুরুগ্রামের এক পুলিশ আধিকারিক। ডিউটিতে থাকাকালীন ওই আধিকারিক বলেন, যে সমস্ত মেয়েরা ছোটখাট পোশাক পরে রাস্তায় বেরোন। তাদের মেরে ফেলা উচিত। হয় তাঁদের মা–বাবারা মেরে ফেলুন। নয়তো অন্যদের হাতে মারার দায়িত্ব দিন।
ওই পুলিশ আধিকারিক বলেছেন, ‘‌আমার বিশ্বাস মেয়েদের ইচ্ছাতেই এই ধর্ষণ কিংবা গণধর্ষণের ঘটনা ঘটে। কোনও পুরুষই রাক্ষস নয়। ছোটখাট পোশাক পরা মেয়েদের মা–বাবারা সন্তানদের সঠিক শিক্ষা দিতে পারেননি। কোন পোশাক পরতে হবে সেটাও শেখাননি। ওই সমস্ত মেয়েদের পড়াশুনা, খাওয়া, ঘুমের নির্দিষ্ট কোনও সময় নেই। অপরাধকে তাঁরাই ডেকে নিয়ে আসে। এরপর তাঁরা বলেন পুলিশের সামনে এই ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনা দেখলে হাততালি দিতে ইচ্ছে করে। পরিস্থিতি খুব খারাপ। আমরা পুলিশরা ঠাণ্ডা মাথায় কাজ করতে চাই। কিন্তু এই মেয়েরা একদম উগ্র। সবসময় ছোট পোশাক পরেন।’‌ এরপরই লাজলজ্জাহীন ওই পুলিশ আধিকারিক বলেন, ‘‌কিছুদিন আগের ঘটনা। আমি হুদা সিটি সেন্টারে দায়িত্ব সামলাচ্ছিলাম। একজন মেয়ের পোশাক দেখে চমকে যাই। মেয়েটির কোমরের নিচে কোনও পোশাক ছিল না। এমনকি কোমর অবধি পোশাকটি চেরা ছিল। বুকে ছিল দুটো ট্যাটু। এগুলো কী ধরণের পোশাক?‌ মেয়েটির বুক দেখা যাচ্ছিল। এরকম মেয়েকে পরিবারের লোকেদেরই মেরে ফেলা উচিত।’‌ 
নিজেদের দায়িত্ব যথাযথ পালন করতে না পেরে মেয়েদের সম্পর্কে অশালীন মন্তব্য করে পুলিশ জাতকেই অপমান করে ফেললেন ওই আধিকারিক। ‌‌

জনপ্রিয়

Back To Top