আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বয়স মাত্র ২৫। কিন্তু এর মধ্যেই বাতে কাবু। যন্ত্রণায় হাঁটাচলা পর্যন্ত করতে পারে না। হাল ছেড়ে দিয়েছিল মালিক। শেষ পর্যন্ত মথুরার ওয়াইল্ড লাইফ এসওএস এলিফ্যান্ট হাসপাতালে এসে প্রাণে বাঁচল সে। এটাই দেশের প্রথম হাতিদের জন্য হাসপাতাল। 
বাতে পাগুলো বেঁকে যাচ্ছিল। শারীরিক বৃদ্ধি বন্ধ হয়ে গেছিল। ক্রমাগত অবস্থা খারাপ হতে থাকায় হাতির মালিক তাকে আমরোহা থেকে মথুরায় নিয়ে আসেন চিকিৎসার জন্য। চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখেন, অস্টিওআর্থ্রারাইটিস রয়েছে হাতিটির। ডা.‌ প্রমোদ রাজপুত চিকিৎসার ভার নেন। তিনি জানান, হাতিটি প্রচণ্ড অবহেলার শিকার হয়। জন্ম থেকে কখনও চিকিৎসাও হয়নি। সে কারণেই আজ তার এই অবস্থা। শুধু বাত নয়, ওজনও যথেষ্ট কম হাতিটির। এই বয়সি হাতির যা ওজন থাকা দরকার, তার থেকে অনেকই কম। 
চিকিৎসক রাজপুতের কথায়, ‘‌শিগগিরই হাতিটি সুস্থ হয়ে উঠবে এমন নয়। দীর্ঘদিন চিকিৎসা করতে হবে। আপাতত তাকে লেজার থেরাপি এবং হাইড্রোথেরাপি দেওয়া হবে। তাতেই সে কিছুটা হলেও পায়ে জোর পাবে’‌। হাতিটির কীভাবে এ রকম করুণ পরিণতি হল, সেই নিয়ে ক্ষুব্ধ হাসপাতালের চিকিৎসকরা। যদিও এদেশে হাতি নিগ্রহ খুব নতুন নয়। মে মাসে কেরলের পালাক্কড়ে একটি গর্ভবতী হাতিকে বিস্ফোরক দেওয়া আনারস খাইয়ে খুন করা হয়। সারা দেশে তীব্র প্রতিবাদ ওঠে। তিন জন গ্রেফতার হয়। তার পরেও থামেনি এই বুদ্ধিমান প্রাণীদের ওপর অত্যাচার। উল্লেখ্য, হাতিদের মস্তিষ্ক মানুষের থেকে চার গুণ বড়। 

জনপ্রিয়
আজকাল ব্লগ

Back To Top