আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ আজ খ্রিস্টানদের পবিত্র রবিবার ইস্টার সানডে। খ্রিষ্টধর্ম মতে গুড ফ্রাইডে–তে যিশুকে ক্রুশবিদ্ধ করা হয়। আর তার একদিন পর ইস্টার সানডে–তে যিশুর রেজারেকশন বা তিনি পুনরুজ্জীবিত হন। তাই এই দিনটা খ্রিস্টানদের কাছে স্বাভাবিকভাবেই অত্যন্ত অর্থবহ। এই দিনেই লেন্ট বা খাওয়াদাওয়ায় ৪০ দিনব্যাপী অনুশাসন পালনেরও অবসান করেন খ্রিস্টানরা। এই দিন সকালে পরিপাটিভাবে চার্চে গিয়ে প্রার্থনায় অংশ নেন তাঁরা। পাদ্রী, বিশপ, আর্চবিশপরা বক্তৃতা দেন, সকলের মঙ্গল কামনা করেন।

যিশুর ক্রুশকে চুম্বনের পর প্রার্থনা শেষ হয়। কিন্তু কোভিড–১৯–এর কারণে লকডাউনের ফলে বন্ধ দেশের সব চার্চ এবং ক্যাথিড্রাল। পাদ্রী এবং বিশপরা শূন্য চার্চ, ক্যাথিড্রালেই সকলের মঙ্গল কামনায় প্রার্থনা করেন। আর সাধারণ মানুষরা নিজেদের ঘরেই এবছরের ইস্টার প্রার্থনা সারেন। 
রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ ইস্টারের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, ‘‌কোভিড–১৯–এর চ্যালেঞ্জ একসঙ্গে মোকাবিলা করার প্রতিশ্রুতি নিতে হবে এইদিন আমাদের।’‌ ‌প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি টুইটারে সবাইকে ইস্টার সানডে–র শুভেচ্ছা জানিয়ে আশাপ্রকাশ করে লিখেছেন, ‘‌গরিবদের প্রতি যিশুর দায়বদ্ধতা এবং চিন্তাভাবনার কথা আমাদের মনে রাখতে হবে।

কোভিড–১৯–কে সফলভাবে মোকাবিলা করে সুস্থ গ্রহ তৈরির শক্তি জোগাক ইস্টার’‌। শুধু মোদিই নন, মমতা ব্যানার্জি ইস্টারের শুভেচ্ছা জানিয়ে টুইটে লিখেছেন, ‘এই দিনের শান্তি এবং আনন্দ আমাদের মনে ভবিষ্যতের আশা জাগাক।’‌ কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধিও টুইটারে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল টুইটারে ইস্টারের শুভেচ্ছা জানিয়ে লিখেছেন, ‘যিশুর পুনর্জীবন আশা, বিশ্বাস এবং জয়ের বার্তা। আশা করি ইস্টার আমাদের এই দুঃসময়ে আলো দেখাবে, স্বাস্থ্যকর আগামীদিনের আশা জোগাবে এবং এই মহামারীর বিরুদ্ধে জয়ের জন্য আমাদের শক্তি জোগাবে।

’‌‌  ‌ 
ইস্টারে খ্রিস্টানরা পরস্পরকে ক্রিসমাসের মতোই উপহার দেন। তবে ক্রিসমাসে যেমন সান্টা ক্লজ, ইস্টারের উপহারের বিশেষত্ব হল রংবেরং–এর ডিম। যেহেতু ডিম হল প্রাণের উৎস, নবজীবনের প্রথম ধাপ, এবং ইস্টার যেহেতু যিশুর পুনর্জীবনের ঘটনা বলে, তাই খ্রিস্টানদের বিশ্বাস, উপহারের বাক্সে ডিম থাকলে যিশুর আশির্বাদ, সুখ–সমৃদ্ধি আসবে পরিবারে।
ছবি:‌ এএনআই

জনপ্রিয়

Back To Top