আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌  কয়েকদিন আগেই চরম নির্দেশিকা জারি করেছে শীর্ষ আদালত। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরে বংশানুক্রমিক পাণ্ডা প্রথা অবলুপ্ত করা এবং জোর করে দর্শনার্থীদের কাছে দক্ষিণা আদায় করা যাবে না। এই নির্দেশিকার পরেই প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিলেন পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের পান্ডারা। কিন্তু নির্দেশ বদলায়নি শীর্ষ আদালত। তারপরেই স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানিয়ে প্রধান বিচারপতি রঞ্জন গগৈকে চিঠি লিখেছেন পুরীর মন্দিরের পান্ডা নরসিংহ পূজাপান্ডা।  প্রধান বিচারপতিকে চিঠিতে তিনি লিখেছেন, ‘‌গত তিন চার মাস ধরে দক্ষিণা পাচ্ছেন না তিনি। বংশ পরম্পরায় জগন্নাথ মন্দিরের পান্ডার কাজই করতেন তিনি। এটাই একমাত্র রুটিরুজি তাঁর। আদালতের নির্দেশে সেটা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় পরিবারের মুখে খাবার তুলে দিতে পারছেন না। এই পরিস্থিতি থেকে বাঁচার একটাই পথ স্বেচ্ছামৃত্যু। সেটার অনুমতি দেওয়া হোক।’‌ 
এর আগে নাকি ওড়িশা সরকারের কাছে স্বেচ্ছামৃত্যুর অনুমতি চেয়ে আবেদন করেছিলেন তিনি। এর আগে মার্চে নাকি জগন্নাথ মন্দিরে ভেতরে ঢোকার কথা ছিল আর্কিওলজিকাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার(‌এএসআই)‌ গবেষকদের। তার প্রতিবাদেও নাকি সরব হয়েছিলেন পূজাপান্ডা। প্রত্নতত্ববিদ্‌দের আটকাতে গায়ে আগুন দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন তিনি। জগন্নাথ মন্দিরের রত্নভাণ্ডারের জিনিস নিরাপদে রাখার জন্যই  এএসআই–এর গবেষকরা সেখানে যেতে চেয়েছিলেন। পান্ডাদের সঙ্গে এই বিবাদ শেষ পর্যন্ত আদালতে গড়ায়। 

জনপ্রিয়

Back To Top