আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ খেলায় জয়–পরাজয় আছে। তাকে মেনে নিতে হবে ক্রীড়া সুলভ মনোভাবে। কিন্তু খেলার মাঠে রাজনীতি?‌ এই প্রশ্নই এখন বিতর্ক তৈরি করেছে। যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ডার্বি ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের গ্যালারিতে সিএএ, এনআরসি এবং এনপিআর বিরোধী পোস্টার দেখা গিয়েছে। যা নিয়ে খেলার পরেও আলোচনা তুঙ্গে। এটাই আসলে ভেতরের খবর হয়ে দাঁড়িয়েছে। 
অনেকেই বলছেন, ইস্টবেঙ্গল আসলে ওপার থেকে আসা লোকজনকে নিয়ে তৈরি হয়েছে। তাই অস্তিত্ব সংকটে এই অভিনব প্রতিবাদ করা হল। কিন্তু একথা মানতে নারাজ ইস্টবেঙ্গল ফ্যান ক্লাব আলট্রাস। তাদের দাবি, ব্যানার ও টিফোগুলি তাদেরই তৈরি। কিন্তু এসবের মধ্যে সিএএ বিরোধী কোনও বার্তা নেই। বিতর্কে ঢুকতে নারাজ ইস্টবেঙ্গল ক্লাব। কিন্তু অনেকেই মনে করছেন, সিএএ’‌র আঁচ রাজনীতির ময়দান ছেড়ে ফুটবলের ময়দানে এসে পড়েছে। এই বিষয়ে আবার অনেকে মুখ খুলতে নারাজ। 
উল্লেখ্য, রবিবার যুবভারতীর ডার্বি ম্যাচে ইস্টবেঙ্গল সমর্থকদের গ্যালারিতে দেখা যায় একাধিক টিফো।

যে সব বক্তব্যের ছত্রে ছত্রে রয়েছে বর্তমান সময়ের কথা। এনআরসি নিয়ে বাঁটুল দি গ্রেট। কখনও আবার গ্যালারিতে লম্বা ব্যানার। যেখানে লেখা–রক্ত দিয়ে কেনা মাটি, কাগজ দিয়ে নয়। এই সব নিয়েই রীতিমতো শোরগোল পড়েছে। এই সব টিফো ও ব্যানার এনআরসি–সিএএ বিরোধী বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও, টিফোগুলি যাদের তৈরি তারা এই তত্ত্ব মানতে নারাজ। ইস্টবেঙ্গল ফ্যান ক্লাব আলট্রাসের দাবি, টিফো বা ব্যানারের পেছনে কোনও রাজনীতি নেই। বাঙাল ও ঘটির লড়াইয়ের আবেগ থেকেই তৈরি। এই বিতর্কে ঢুকতে নারাজ ইস্টবেঙ্গল ক্লাব।‌
এই বিষয়ে ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের সচিব কল্যাণ মজুমদার আজকাল ডিজিটালকে দেওয়া প্রতিক্রিয়ায় বলেন, ‘‌বিষয়টি সম্পূর্ণ বাঙাল–ঘটির হলেও খানিকটা রাজনীতির রং লেগেছে। আসলে এটা মোহনবাগানের পক্ষ থেকে এমনটা চাউর করা হয়েছিল। যার ফলে এভাবে প্রতিরোধ করতে হয়েছিল আমাদের ছেলেদের। বলতে পারেন এটা বাঙালদের অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। দেখছেন তো বিজেপি’‌র রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের মন্তব্য। এত লাখ লোক তাড়াবো বলছে। এটা আসলে বাঙালদেরই বলা হচ্ছে।’‌  

জনপ্রিয়

Back To Top