আজকাল ওয়েবডেস্ক:‌ বারবার সন্ত্রাসবাদীদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন। কখনও একা, কখনও সপরিবারে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা। সন্ত্রাসবাদীরা হার মেনে ফিরে গেছে। এজন্য শৌর্য চক্র পেয়েছেন। পাঞ্জাবের সেই বলবিন্দর সিং নিজের বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেলেন।
দু’‌জন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি তাঁর বাড়িতে ঢুকে গুলি চালায়। পাঁচ–পাঁচটি বুলেট লাগে ৬২ বছরের বলবিন্দরের। তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। 
পাঞ্জাবের তার্ন তারান জেলায় বাড়ি বলবিন্দরে। সেখানেই একটি স্কুল চালান তিনি। এদিন সেই স্কুলের দরজায় ধাক্কা দেয় দু’‌জন। দরজা খুলতে গেলেই শুরু হয় গুলি বর্ষণ। এর পর এক দৃষ্কৃতী তাঁকে বাড়ির ছাদে ধাওয়া করে গুলি করে বলে জানা গেছে। নিজের বাড়ির ছাদে বাঙ্কার তৈরি করেছিলেন বলবিন্দর। 
পুলিশ সুপার ধ্রুমান নিমবালে জানালেন, এফআইআর দায়ের হয়েছে। তদন্ত চলছে। বরাবরই সন্ত্রাসবাদীদের নিশানায় ছিলেন বলবিন্দর। তাঁর বাড়িতে নিরাপত্তারক্ষীও মোতায়েন রেখেছিল রাজ্য পুলিশ। গত বছরই তা তুলে নেওয়া হয়।
১৯৯০ সালের সেপ্টেম্বরে ২০০ জন সন্ত্রাসবাদীর সঙ্গে লড়াই করেন বলবিন্দর, তাঁর স্ত্রী, ভাই এবং ভাইয়ের স্ত্রী। ওই সন্ত্রাসবাদীদের হাতে ছিল আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। বলবিন্দররা সরকারের দেওয়া স্টেনগান এবং পিস্তল নিয়ে পাঁচ ঘণ্টা লড়াই করে প্রাণে বাঁচেন। সে কারণেই শৌর্য চক্র পুরস্কার পান। 

জনপ্রিয়

Back To Top