দীক্ষা ভুঁইয়া: কার্গিল বিজয় দিবসে পশ্চিমবঙ্গ ও সিকিম এনসিসি ডিরেক্টরেট এবং কলকাতা ‘সি’ গ্রুপের উদ্যোগে প্রায় ৫০০ জন এনসিসি ক্যাডেট শহিদ ক্যাপ্টেন কণাদ ভট্টাচার্য (মরণোত্তর সেনা মেডেল)-এর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। কলকাতার সন্তান এবং অপারেশন বিজয়ে শহিদ হওয়া শহরের প্রথম সেনা আধিকারিক হিসেবে ক্যাপ্টেন কণাদ ভট্টাচার্যের আত্মত্যাগকে স্মরণ করে এই বিশেষ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের সূচনা হয় কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় বিজয় দুর্গ থেকে জেমস প্রিন্সেপ মেমোরিয়াল পর্যন্ত একটি নীরব পদযাত্রার মাধ্যমে। এরপর শতাধিক ক্যাডেটের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় মোমবাতি প্রজ্বলন কর্মসূচি। আলোকিত স্মৃতিসৌধে উপস্থিত সকলেই শহিদ সেনানীর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং দেশের প্রতি কর্তব্য, সাহস ও আত্মত্যাগের আদর্শকে ধারণ করার অঙ্গীকার করেন।
অনুষ্ঠানে কলকাতার বিভিন্ন কবির দেশাত্মবোধক কবিতা আবৃত্তির পাশাপাশি কার্গিল যুদ্ধের বীর সেনানীদের সাহসিকতার কথা তুলে ধরা হয়। শেষে উপস্থিত সকলেই একসঙ্গে পরিবেশন করেন ‘এ মেরে ওয়তন কে লোগো’, যার আবেগঘন সুরে মুখরিত হয়ে ওঠে হুগলি নদীর তীর। দেশপ্রেম, আত্মত্যাগ ও স্মৃতির আবহে অনুষ্ঠানটি এক অনন্য মাত্রা পায়।
বক্তারা বলেন, ক্যাপ্টেন কণাদ ভট্টাচার্যের আত্মবলিদান শুধু বাংলার নয়, সমগ্র দেশের গর্ব। দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তাঁর আত্মত্যাগ আজও নতুন প্রজন্মকে দেশসেবায় অনুপ্রাণিত করে।
কার্গিল বিজয় দিবস উপলক্ষে এই শ্রদ্ধাঞ্জলি শুধু শহিদদের স্মরণ নয়, বরং দেশের যুবসমাজের পক্ষ থেকে দেশপ্রেম, কর্তব্যবোধ এবং ‘Service Before Self’-এর আদর্শকে সমুন্নত রাখার এক দৃঢ় অঙ্গীকার বলেই উল্লেখ করেন আয়োজকরা।
















