২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে মুখোমুখি হতে পারে আমেরিকা ও ইরান। গত কয়েক মাস চলতে থাকা যুদ্ধের পর, এখনও দুই দেশ বিশ্বের সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টে একে অপরের মুখোমুখি হতে পারে।
2
10
তিন আয়োজক দেশের মধ্যে কানাডা ও মেক্সিকোর পাশাপাশি অন্যতম যুক্তরাষ্ট্রকে গ্রুপ ডি-তে রাখা হয়েছে। ইরান রয়েছে গ্রুপ জি-তে।
3
10
টুর্নামেন্টের ড্র এমন দু’টি সহজ পরিস্থিতি তৈরি করেছে, যেখানে কোয়ার্টার-ফাইনালের আগে তাদের মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
4
10
প্রথম সম্ভাবনা, ৩ জুলাই রাউন্ড অফ ৩২-এ। যদি উভয় দেশই নিজ নিজ গ্রুপে রানার-আপ হয়, তবে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপের ৮৮তম ম্যাচে তারা সরাসরি একে অপরের মুখোমুখি হবে।
5
10
দ্বিতীয় এবং আরও নাটকীয় সম্ভাবনা, উভয় দলই নিজের গ্রুপের শীর্ষে থাকলে রাউন্ড অফ ৩২-এ আমেরিকা ৮১তম ম্যাচে এবং ইরান ৮২তম ম্যাচে খেলার যোগ্যতা অর্জন করবে।
6
10
যদি উভয় দলই সেই ম্যাচে জেতে তাহলে, তারা ৯৪তম ম্যাচে, অর্থাৎ ৬ বা ৭ জুলাই, রাউন্ড অফ ১৬-এ মুখোমুখি হবে।
7
10
দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক উত্তেজনার কারণে, আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যে কোনও লড়াই অনিবার্যভাবে বিশ্ববাসীর দৃষ্টি আকর্ষণ করবে। ১৯৭৯ সালের ইসলামী বিপ্লব এবং তার পরবর্তী মার্কিন দূতাবাস সঙ্কটের পর থেকে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে।
8
10
পরবর্তী দশকগুলিতে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা এবং বৃহত্তর ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে বিরোধের কারণে সম্পর্ক প্রভাবিত হয়েছে।
9
10
ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত ১৯৯৮ ফিফা বিশ্বকাপে ইরানে ২-১ গোলে জিতেছিল আমেরিকার বিরুদ্ধে। ম্যাচটিকে টুর্নামেন্টের ইতিহাসে অন্যতম রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ ম্যাচ হিসেবে ব্যাপকভাবে বর্ণনা করা হয়েছিল।
10
10
সম্প্রতি, কাতারে অনুষ্ঠিত ২০২২ বিশ্বকাপে আমেরিকা ইরানকে ১-০ গোলে পরাজিত করে। সেই ম্যাচটিতেও নানা বিতর্ক ছিল।