সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন (সিটিজেনশিপ অ্যামেন্ডমেন্ট অ্যাক্ট বা সিএএ) নিয়ে রাজ্যের তৃণমূল সরকার এবং কেন্দ্রীয় সরকারের মধ্যে কম মতবিরোধ হয়নি। কেন্দ্রের এই আইনের বিরোধীতা করে পশ্চিমবঙ্গে সিএএ চালু করেননি মমতা ব্যানার্জি।
2
9
কিন্তু রাজ্যে পালাবদলের পরে এই আইন চালু হয়েছে রাজ্যে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, উপযুক্ত আবেদনকারীরা কেন্দ্রের আইনের আওতায় নাগরিকত্ব পাবেন৷
3
9
রাজ্যে নাগরিকত্বের আবেদন নিষ্পত্তিতে নতুন নির্দেশিকা জারি করল স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। পশ্চিমবঙ্গ-সহ ছয় সীমান্তবর্তী রাজ্যের জেলাশাসকদের হাতে দেওয়া হল বিশেষ ক্ষমতা। এই সকল রাজ্যের জেলাশাসকরাই সিএএ আবেদনের নিষ্পত্তি করতে পারবেন।
4
9
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক নাগরিকত্ব বিধি, ২০০৯ সংশোধন করে নাগরিকত্ব (তৃতীয় সংশোধনী) বিধি, ২০২৬ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। পাকিস্তান, আফগানিস্তান ও বাংলাদেশ থেকে আসা হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ ও পার্সি-সহ সংখ্যালঘুদের নাগরিকত্ব দেওয়ার প্রক্রিয়ায় দেরি কমাতেই এই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।
5
9
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, পঞ্জাব, রাজস্থান, গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও ত্রিপুরা (আদিবাসী এলাকা বাদে) এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল জম্মু ও কাশ্মীর ও লাদাখে বসবাসকারী ‘উপযুক্ত ও যোগ্য’ আবেদনকারীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষমতা জেলাশাসকদের দেওয়া হয়েছে।
6
9
জেলাশাসকরা নাগরিকত্ব আইন, ১৯৫৫-এর ৬বি ধারার অধীনে নাগরিকত্বের জন্য আবেদন গ্রহণ, যাচাই-বাছাই এবং নিষ্পত্তি করতে পারবেন। নতুন নিয়মে বলা হয়েছে, আবেদনকারী নাগরিকত্ব পাওয়ার উপযুক্ত বলে জেলাশাসক সন্তুষ্ট হলে, তিনি তাঁকে ভারতীয় নাগরিকত্ব দিতে পারবেন।
7
9
এতদিন সিএএ-এর অধীনে বিশেষ ক্ষমতাসীন কমিটি এবং জেলাস্তরের কমিটির হাতে নাগরিকত্ব দেওয়ার ক্ষমতা রাখত। এবার নির্দিষ্ট এলাকাগুলিতে জেলাশাসক বা ডিস্ট্রিক্ট কালেক্টরদেরও সেই ক্ষমতা দেওয়া হল।
8
9
সরকার আরও নির্দেশ দিয়েছে, সংশ্লিষ্ট রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের বিশেষ ক্ষমতাসীন কমিটি এবং জেলাস্তরের কমিটির কাছে বর্তমানে বিচারাধীন ধারা ৬বি-র সকল আবেদন অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকের কাছে হস্তান্তর করতে হবে।
9
9
গত ১ অগস্ট সিএএ-র আওতায় ৩০০ আবেদনকারীর হাতে নাগরিকত্বের শংসাপত্র তুলে দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যবাসীর উদ্দেশে সেদিন তিনি বলেছিলেন, “নাগরিকত্ব কাড়ার জন্য নয়, দেওয়ার জন্যই সিএএ আইন।”