রাজামৌলির প্রশংসায় পঞ্চমুখ নোলান
হলিউডের ‘মায়েস্ত্রো’ তিনি। যাঁর মস্তিস্ক থেকে বেরিয়েছে ‘ইনসেপশন’, ‘ইন্টারস্টেলার’ বা ‘ওপেনহাইমার’-এর মতো কালজয়ী সব সিনেমা। সেই অস্কারজয়ী পরিচালক ক্রিস্টোফার নোলান এবার মজেছেন ভারতীয় সিনেমায়! তাও আবার কোনো লুকোছাপা না করেই সরাসরি ক্রেডিট দিলেন এস এস রাজামৌলির ‘আরআরআর’ ছবিটিকে। নোলানের স্পষ্ট দাবি—আমেরিকা তথা ওয়েস্টার্ন মার্কেটে ভারতীয় সিনেমার রাজকীয় এন্ট্রি নেওয়ার পেছনে ‘আরআরআর’ একাই এক ল্যান্ডমার্ক তৈরি করে দিয়েছে।
‘দ্য ওডিসি’-র প্রচার চলাকালীন এক সাক্ষাৎকারে ভারতীয় সিনেমার বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়া নিয়ে কথা বলতে গিয়ে রাজামৌলির এই মাস্টারপিসের ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। নোলানের কথায়, ভাষায়, “বিশ্বের সিনেমার বাজারের প্রায় অর্ধেকটাই ধরে রেখেছে আমেরিকার বাজার। অত্যন্ত বিশাল এই মার্কেট। এই ইউএস মার্কেট এবং অন্যান্য ওয়েস্টার্ন মার্কেটে জায়গা করে নিতে পারাটা যেকোনো চলচ্চিত্র নির্মাতার জন্যই সম্ভাবনার হাজারো একটা নতুন দরজা খুলে দেয়। ‘আরআরআর’ সেটাই করে দেখিয়েছে।”
চলতি বছরেই বড়পর্দায় ‘মাতৃভূমি
দিন গুনছিলেন ভক্তরা। কিন্তু গত এপ্রিল মাসে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও অজ্ঞাত কারণে পিছিয়ে যায় সলমন খানের বহু প্রতীক্ষিত নতুন ছবি ‘মাতৃভূমি’। এরপর থেকেই বি-টাউনের অন্দরে আর সোশ্যাল মিডিয়ায় উড়ছিল একের পর এক জল্পনা। সম্প্রতি কিছু রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল— ২০২৬-এ আর দেখাই মিলবে না ভাইজানের, ছবি পিছিয়ে যাচ্ছে ২০২৭ সালের কোনও এক সময়ে! এই খবর ছড়াতেই যেন মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল সলমন-ভক্তদের।
তবে সপ্তাহের শুরুতেই মিলল দুর্দান্ত এক ‘ধামাকা’। আজ, ২০ জুলাই এক্স হ্যান্ডেলে এসে সমস্ত ট্রোল আর গুঞ্জনকে এক ফুঁৎকারে উড়িয়ে দিল ‘সলমন খান ফিল্মস’। সাফ জানিয়ে দেওয়া হল— ২০২৭ নয়, ২০২৬-এর বুকেই গর্জে উঠতে চলেছে ‘মাতৃভূমি’।
জনের নতুন ঘর
মুম্বইয়ের বুকে এখন এক টুকরো ফাঁকা জমির দাম সোনার চেয়েও দামি। বিশেষ করে বান্দ্রা, জুহু বা মালাবার হিলের মতো অভিজাত এলাকায় কোনও বাংলো খুঁজে পাওয়া এখন প্রায় অসম্ভব। আর এই ‘স্কার্সিটি’ বা তীব্র সংকটের বাজারে বাজিমাত করলেন বলিউডের ‘অ্যাকশন হিরো’ জন আব্রাহাম! টলিপাড়া থেকে বলিউড—সবাই যখন বিলাসবহুল ফ্ল্যাটের দিকে ঝুঁকছেন, তখন জন একাই কোটি কোটি টাকা ঢেলে বান্দ্রা পশ্চিমে কিনে নিলেন এক বিশাল ট্রফি বাংলো।রিয়েল এস্টেট কনসালটেন্সি ফার্ম ‘লিয়াসেস ফোরাস’-এর প্রপার্টি রেজিস্ট্রেশন নথি থেকে এই চোখ কপালে তোলার মতো চুক্তির খবরটি সামনে এসেছে। জানা গেছে, বান্দ্রার সেন্ট মার্টিন রোডের মতো এক শান্ত অথচ অসম্ভব দামি এলাকায় অবস্থিত এই নতুন ঠিকানা।
কাগজপত্র অনুযায়ী, জনের কেনা এই নতুন প্রপার্টিটি ১,০১৭.৬০ বর্গমিটারের একটি বিশাল প্লটের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এর মধ্যে মূল বাংলোটির বিল্ট-আপ এরিয়া প্রায় ১৯৩.১২ বর্গমিটার এবং সাথে রয়েছে প্রায় ৩১.৫০ বর্গমিটারের একটি আউটহাউস। এই পুরো রাজকীয় সম্পত্তির জন্য জনের পকেট থেকে খসেছে পাক্কা ৮৪ কোটি টাকা! টাকার অঙ্কটা এখানেই শেষ নয়। গত ১৪ জুলাই, ২০২৬-এ হওয়া এই চুক্তির জন্য জন আব্রাহাম শুধুমাত্র সরকারের ঘরে স্ট্যাম্প ডিউটি বাবদ জমা দিয়েছেন ৫.০৪ কোটি টাকা! মুম্বইয়ের রিয়েল এস্টেট বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আকাশছোঁয়া দাম আসলে প্রপার্টিটির নয়, বরং বান্দ্রার মতো জায়গায় স্বাধীন বা স্ট্যান্ডঅ্যালোন বাংলোর যে তীব্র সংকট তৈরি হয়েছে—এটি তারই ‘প্রিমিয়াম প্রাইস’।
















